শুক্রবার, ৩১ মে, ২০১৩

Search Engine Optimization নিয়ে কিছু স্পেশাল টিপস

নিচে Search Engine Optimization সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস দেয়া হল। আশা করি আপনারা ধৈর্য্য সহকারে মনোযোগ দিয়ে পুরো বিষয় টি পড়বেন

1. Website Pagerank :

প্রথমেই আপনি যে কাজটি করতে পারেন, তা হল আপনার ওয়েবসাইটটির একটি গ্লোবাল অবস্থান (Pagerank) জেনে নিতে পারেন। এর জন্য মোটামুটি একটি ওয়েবসাইট হল অ্যালেক্সা.কম (htp://alexa.com)| বিখ্যাত অ্যামাজন.কম এই ওয়েবসাইটটি পরিচালনা করে থাকে।
সেখানে গিয়ে আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটের ঠিকানাটি লিখে দিন, তাহলে আপনি দেখতে পাবেন আপনার সাইটের অবস্থান (Pagerank) কোথায়। তবে একটি বিষয় এখানে বলে রাখা ভালো যে, অ্যালেক্সাতে আপনার ওয়েবসাইটের অবস্থান একদম নিরঙ্কুশ সঠিক নয়। তবে মোটামুটি একটা ভালো গাইডলাইন পাওয়া বটে। আপনার লক্ষ্য হবে সেই অবস্থান উপরের দিকে ওঠা। অর্থাৎ ১ হল সর্বোচ্চ অবস্থান। দশ হাজার হল নিচের দিকের অবস্থান।

2. Website Resigtration in Search Engine :

আপনার ওয়েবসাইটটি গুগল সার্চ ইঞ্জিনে রেজিস্ট্রেশন করুন। এটা করতে বিভিন্ন রকমের সফটওয়্যার পাওয়া যায়। সেগুলো ব্যবহার না করে, সরাসরি নিজেই কাজটি করতে পারেন এই ঠিকানায়- htp://www.google.com/ addurl/?continue=/addurl অথবা www.xml-sitemaps.com এ ঢুকেও Sitemap তৈরি করতে পারেন।

3. Content Title :

প্রতিটি ওয়েব পেজের জন্য Content অনুযায়ী একটি Title থাকে। সেই Title টি থেকে Search Engine বুঝতে পারে, এই পৃষ্ঠাটি কিসের ওপর নির্মিত। এখানে আরেকটি কথা বলে নেয়া প্রয়োজন। বিভিন্ন Search Engine এ রয়েছে রোবট- যা বিভিন্ন সময়ে গিয়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়ে নিয়ে আসে। আমরা যেমন Internet Browse করে Web Page বিভিন্ন Browse এ Load করি ঠিক একইভাবে রোবটগুলো (মূলত সফটওয়্যার) বিভিন্ন ওয়েবসাইটে গিয়ে সব পৃষ্ঠা নিজের কাছে নিয়ে আসে। তারপর বিভিন্ন রকম অ্যালগরিদমের ভিত্তিতে সেই পৃষ্ঠাটিকে এনালাইসিস করে থাকে। পৃষ্ঠার টাইটেল হল তেমন একটি প্যারামিটার। এটা অনেকটা আপনার বাড়ির নামের মতো বাড়ির নাম যদি হয় স্বপ্ননীড় তাহলে রোবট ধরেই নেবে এই বাড়িটি হবে স্বপ্নময়। আর আপনার বাড়ির নাম স্বপ্ননীড় দিয়ে যদি কাজ দেখান তার উল্টোটা তাহলে আর রেহায় নেই

4. Titile Use :

আপনার Website টিকে অন্যান্য ভালো ওয়েবসাইটের সাথে Link করুন। অর্থাৎ ভালো কোন Website যদি আপনার Website কে তার কোন লেখায় কিংবা পৃষ্ঠায় Link দেয়, তাহলে রোবট বুঝতে পারে আপনার Web Page টি গুরুত্বপূর্ণ। যেমন ধরুন, CNN কিংবা BBC যদি আপনার কোন পৃষ্ঠার Link তাদের কোন পেজে ব্যবহার করে, তাহলে তার মূল্য অনেক বেশি হবে। তাই ভালো ভালো Website গুলোর সাথে কাজ বা Link করার চেষ্টা করুন।

5. Link Create :

আপনার Website টিকে অন্যান্য ভালো ওয়েবসাইটের সাথে Link করুন। অর্থাৎ ভালো কোন Website যদি আপনার Website কে তার কোন লেখায় কিংবা পৃষ্ঠায় Link দেয়, তাহলে Robot বুঝতে পারে- আপনার Web Page টি গুরুত্বপূর্ণ। যেমন ধরুন, CNN কিংবা BBC যদি আপনার কোন পৃষ্ঠার Link তাদের কোন পেজে ব্যবহার করে, তাহলে তার মূল্য অনেক বেশি হবে। তাই ভালো ভালো Website গুলোর সাথে কাজ বা Link করার চেষ্টা করুন।

6. False Reference পারিহার করা :

এবারে উল্টোটা দেখে নিন। উপরে যেখানে বললাম যে, অন্য কোন Website যদি আপনার Website এর Refarenche দিয়ে থাকে, তাহলে আপনার Website টির মান ভালো। এবারে আপনি করলেন কি, চালাকি করে নিজেই কিছু Website বানিয়ে কিংবা আপনার বন্ধুদের Website থেকে নিজের Website এ Link দিলেন। অনেক সময় অনেকেই টাকার বিনিময়ে Link Exchange করে থাকে। এ ধরনের Website গুলো Repotation ভালো নয়। আপনার সাইট যদি সেই খারাপ Repotation এর কোন Website এর সাথে যুক্ত থাকে, তাহলে তার জন্য আপনার Website ও ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। তাই ভুল পথ পরিহার করুন।

7 Alt Tag ব্যবহার :

ছবির সাথে Alt Tag ব্যবহার করুন। রোবট গুলো শুধু ছবি দেখে বুঝতে পারে না, এটা কিসের ছবি। কিন্তু Image Alt Tag দিলে, Image বলে দিতে পারে এই ছবিটি কিসের।

8. Word Bold :

মাঝে মাঝে কিছু কিছু Word Bold করতে পারেন। কিন্তু খুব বেশি নয়। কারণ সেটা পাঠককে যেমন বিরক্ত করে, সেটা রোবট গুলোকেও বিরক্তি তৈরি করে।

9. Site Map Create & Submit :

আপনার Website টি যদি অনেক বড় হয়, তাহলে একটি Sitemap তৈরি করতে পারেন এবং সেই Sitemap টি Search Engine গুলোতে Submite করতে হবে।

10. Confident :

একটি Website মানুষের জন্য যতটা সুবিধার হক না কেন Search Engine তাকে খুঁজে বের করতে চাইবে। এই সরল বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করতে হবে।

11. Use English Language :

আপনি যদি মোটামুটি English জানেন এবং Internet ও Web Page নিয়ে কিছুটা ধারণা থাকে, তাহলে এই Search Engine Optimization এ নজর দিতে পারেন।

12. Link Exchange :

আপনি আপনার Website এর বিষয় Internet এ খুঁজুন এবং একই ধরনের Blog গুলোর লেখকের সাথে যোগাযোগ করে তাদের Link আদান প্রদানে আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।

13. Blog Site এ Link Create :

অন্যের Blog Site আপনার Website এর Link Create করার জন্য Website এর Address এর জায়গায় আপনার Website এর Link বসিয়ে দিন।

14. Forum Posting Site এ Backlink Create :

বিভিন্ন Forum Posting Website এর Forum এ অংশগ্রহণ করুন এবং প্রতিটি Forumএর Signature বলে একটি অপশন থাকে সেখানে আপনি আপনার Website এর ঠিকানা ব্যবহার করতে পারেন। Forum এ signature Link এর পাশাপাশি Website Link রেখে অন্য সদস্যদেরকে আপনার Website নিয়ে মতামত দিতে বলুনএবং আপনিও অন্যদের Website এর Content এর বিষয়ে মন্তব্য করে Link তৈরি করুন।

15. Article Submit & Backlink Create :

অনেক Website আছে যেগুলোতে Free তে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে Article জমা দেয়া যায়। সেসব Website এ নিয়মিত Article লিখে জমা দিতে পারেন এবং Article এর ফাঁকে ফাঁকে প্রয়োজন অনুসারে আপনার Website এর ঠিকানা বসিয়ে দিতে পারেন।

মানুষ কেন হাসে? হাসলে শরীরে কী ঘটে? বৈজ্ঞানিক গবেষণা নিয়ে সম্পূর্ণ অজানা এবং অন্য রকম একটি টিউন

বিশ্ব সাহিত্য কিংবা চিত্র শিল্পকর্মেও হাসি নিয়ে আমরা নানা রকম অমর সৃষ্টি দেখি। মোনালিসার হাসি নিয়ে যেমন গবেষণা এখনো শেষ হয়নি, তেমনি অনেক জানার বাকি ক্রীতদাসের হাসি সম্পর্কে। কিন্তু হাসির ওষধি মূল্য নিয়ে সচরাচর তেমন কোনো আলাপ-আলোচনা হয় না। আজকাল মালিশ চিকিৎসা, জল চিকিৎসা, সুগন্ধি চিকিসা, স্পর্শ চিকিৎসা, কম্পন চিকিৎসা ইত্যাদি নানাবিধ চিকিৎসার প্রসার দেখতে পাই। এর পাশাপাশি হাস্যরসেরও চিকিৎসা গুণ রয়েছে। হাসলে কিংবা হাসালে চিত্ত প্রফুল্ল হয়, মন উদ্দীপ্ত হয়, বিষণ্ন বিপর্যস্ত ব্যক্তি বাঁচার আনন্দ খুঁজে পায়। হাসি খুশি ব্যক্তি, সুস্থ ব্যক্তি। অবশ্য হাস্য-গবেষকগণ এখনো বুঝে উঠতে পারছেন না আসলে হাসিই মানুষকে সুস্থবোধ করতে সাহায্য করে, নাকি এর পেছনে আরো অন্য কোনো কারণ রয়েছে। যারা হাসেন, তাদের রসবোধ প্রখর হয়; তারা জীবন সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেন। হাসি-খুশি ব্যক্তিকে বন্ধু-বান্ধব এবং পরিবার-পরিজনেরাও পছন্দ করেন। হাসি-খুশি ব্যক্তির সাহচর্যে এসে কেউ গোমরা হয়ে বসে থাকতে পারেন না। হাসির এত উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও দুঃখের বিষয় এ নিয়ে তেমন কোনো নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক গবেষণা হয়নি।
হাসলে শরীরে কী ঘটে?
হাসলে শরীরে নানা রকম শারীরবৃত্তিক পরিবর্তন ঘটে। এর ফলে মুখমণ্ডল ও শরীরের পেশি প্রসারিত-সংকুচিত হয়, হৃদঘাত এবং রক্তচাপ পরিবর্তিত হয়, শ্বাসের গতি বেড়ে যায় এবং আমাদের শরীরের সর্বত্র অতিরিক্ত অক্সিজেন প্রবাহিত হয়। অনেকে বলেন হাসি এবং ব্যায়ামের উপকারিতা একই রকম। হাসির পাশাপাশি যদি কেউ হাল্কা শরীরচর্চা করেন, তাহলে তারা আরো উপকৃত হবেন। যারা ঘরে ব্যায়ামের যন্ত্র দিয়ে শরীরচর্চা করেন তাদের হৃদস্পন্দন ১০ মিনিটে যতটুকু বাড়ে, ১ মিনিটের প্রাণখোলা হাসিতেও সমপরিমাণ হৃদস্পন্দন বাড়ে। হাসলে প্রচুর ক্যালরিও খরচ হয়। হিসেব করে দেখা গেছে ১০-১৫ মিনিটের হাসির ফলে ৫০ ক্যালরি খরচ হয়। এই হিসেব দেখে তাই বলে কেউ যেন শরীরচর্চা ছেড়ে না দেন। একটি চকোলেট খেলেও আমরা ৫০ ক্যালরি পাই। প্রতি ঘণ্টায় ৫০ ক্যালরি খরচ করে আমরা যদি ১ পাউন্ড ওজন কমানোর জন্য চেষ্টা করি, তাহলে আমাদের পুরো ১ দিন হাসতে হবে। বিগত কয়েক দশকের গবেষণায় শরীরের ওপরে হাসির প্রভাব সম্পর্কে আরো কিছু চমকপ্রদ তথ্য পাওয়া গেছে।
রক্তপ্রবাহ
মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকগণ একটা মজার গবেষণা করেছেন। কাউকে কমেডি নাটক বা দুঃখের নাটক দেখতে দিলে তাদের রক্ত প্রবাহের ওপর কেমন প্রতিক্রিয়া হয়, তারা গবেষণার মাধ্যমে সেটাই পর্যবেক্ষণ করেছেন। ফলাফল যা ভাবার তাই হয়েছে। যারা হাসির নাট দেখেছেন তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত প্রবাহ বেড়েছে। 
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
অতিরিক্ত মানসিক চাপ কিংবা উদ্বেগ, আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয়। কিন্তু কিছু পরীক্ষা পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, হাস্যরস শরীরে রোগ প্রতিরোধের জন্য দরকারি কোষ এবং অ্যান্টিবডির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।
রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ
ডায়াবেটিসের রোগীদের ওপর হাসি তামাশার প্রভাব নিয়ে কিছু গবেষণা হয়েছে। এর ফলাফলও বেশ মজার। বলা হচ্ছে হাসি-তামাশা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা কমানোর জন্য সহায়ক।
শিথিলায়ন এবং ঘুম
নরমান কাজিন নামে এক ভদ্রলোক একটি বই লিখেছেন। মূলত তার বইটি হাসির উপকারিতা সম্পর্কে চিকিৎসা গবেষখদের প্রথম দৃষ্টি আকর্ষণ করে। কাজিনের এক ধরণের বাত হয়েছিল যার ফলে শিরদাঁড়া এবং কোমরে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। উনি অভিজ্ঞতা দিয়ে বুঝেছেন ওষুধ সেবনে তার যত না উপকার হতো, তারচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যেত কোনো হাসির সিনেমা দেখলে। উনি বলেছেন দশ মিনিট হাসতে পারলে দু ঘণ্টা আরামে ঘুমানো যেত।
হাসি এক অমূল্য ওষুধ
হাসির উপকারিতা নিয়ে কোনো সন্দেহ না থাকলেও গবেষকগণ এর প্রকৃত রহস্য উদ্ধার করতে গিয়ে পড়েছেণ এক গোলক ধাঁধায়। কারণ হাসিসংক্রান্ত গবেষণাগুলোর পরিসর ছোট এবং তেমন নির্ভরযোগ্য ও গোছানো নয়। অনেক গবেষখ আগে থেকেই হাসির ইতিবাচক দিক প্রমাণের জন্য পক্ষপাতমূলক কাজ-কর্ম করেছেন। ফলে হাসির উপকারিতা সম্পর্কে নিরপেক্ষ বৈজ্ঞানিক তথ্য পাওয়া কঠিন। সবচেয়ে বেশি তথ্য পাওয়া যায় ব্যথা নাশক হিসেবে হাসির ভূমিকা নিয়ে। অনেক গবেষণায় প্রমাণ করা হয়েছে হাসলে আঘাতজনিত ব্যথার অনুভূতি অনেক কমে যায়। অবশ্য এটা কি শুধু হাসির প্রভাব, না আর কোনো উপাদান এখানে কার্যকর তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। যেমন বলা হচ্ছে হাসলে মানুষের অসুস্থতার হার কমে যায়। নাকি যারা সুস্থ তারা বেশি হাসতে পারেন? এ জন্য হাসিই সুস্থতার নিয়ামক নাকি, সুস্থতার ফল হাসি তামাশা-এ প্রশ্নের জবাব দেয়া সহজ নয়।
উন্নত জীবনের জন্য হাসি
একথা অনস্বীকার্য হাসি সামাজিকায়নের চাবিকাঠি। হাসি স্বর্গীয়। হাস্যরসিক ব্যক্তি বন্ধুবৎসল, পরিবার-পরিজনবেষ্টিত সুখী মানুষ। এটা হাসির কারণে নাকি সুখী পরিবারের ফসল হাসি, তা নিয়ে অযথা বিতর্ক না করে, আমরা সকলের মুখে হাসি চাই। নিঃসঙ্গ ব্যক্তির চেয়ে বন্ধু-বান্ধব পরিবৃত্ত ব্যক্তি ৩০ গুণ বেশি হাসেন। যারা হাসেন তাদের সঙ্গে আশপাশের মানুষের সংযোগ অধিকতর ঘনিষ্ঠ। স্বাস্থ্যের ওপর এ সবের ইতিবাচক ভূমিকা রয়েছে।
হাসি স্বাস্থ্যকর। কিন্তু আমরা শুধু বাঁচার জন্য হাসি না। পরিবার প্রিয়জনের সঙ্গে হাস্যময় আন্তরিকতা আমাদের আত্মিক বন্ধনকে দৃঢ় করে; কেন করে তা অনুসন্ধান হাসি গবেষকগণ করতে পারেন। হাসি যদি আমরা উপভোগ করি তো সেটাই কি হাসির জন্য যথেষ্ট কারণ নয়? এর জন্য কি চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনের দরকার আছে?
রণদীপম বসু
অধ্যাপক (চলতি দায়িত্ব) ও বিভাগীয় প্রধান
মেডিসিন বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী

মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০১৩

গ্রগের ইয়োহান মন্ডেলে

গ্রগের ইয়োহান মন্ডেলে
জন্ম    ২০শে জুলাই, ১৮২২
হাইনৎসনের্ডফ বাই ওড্রাউ, সাইলসেযি়া, অস্ট্রীয় সাম্রাজ্য

মৃত্যু    ৬ই জানুয়ার,ি ১৮৮৪ (৬১ বছর)
র্বনো, অস্ট্রযি়া-হাঙ্গরেি

ক্ষত্রে    জনিতত্ত্ব

প্রতষ্ঠিান    র্বনোর সন্টে টমাস মঠ

প্রাক্তন ছাত্র (শক্ষিাপ্রতষ্ঠিান)    ভযি়নো বশ্বিবদ্যিালয়

যজেন্য পরচিতি    আবষ্কিারক জনিতত্ত্ব

র্ধমীয় অবস্থান    রোমান ক্যাথলকি


গ্রগের ইয়োহান মন্ডেলে (র্জামান ভাষায়: এৎবমড়ৎ ঔড়যধহহ গবহফবষ) (জুলাই ২০, ১৮২২ [১] - জানুয়ারি ৬, ১৮৮৪) একজন অস্ট্রযি়ার র্ধমযাজক ছলিনে। তনিি তার গর্জিার বাগানে মটরশুঁটি উদ্ভদি নযি়ে র্দীঘদনি গবষেণা কর,ে বংশগতরি দুইটি গুরুত্বর্পূণ সূত্র প্রকাশ করনে, যা এখনো যথাযথ আছ।ে তাকে বংশগতবিদ্যিার জনক বলা হয়।

সোল্ডারিং ছাড়াই আপনার UPS কে বানিয়ে ফেলুন IPS

প্রকৃতি থকেে কাঁথা মুরি দয়িে শীত বদিায় নয়িছে,ে বসন্তরে মলিন উৎসবে আমরা সবাই মাতোয়ারা। বশিষে করে বসন্তরে বকিলেটা সত্যইি উপভোগ্য। এ রকম একটা উপভোগ্য বকিলেে অনন্দ করে বাড়ি ফরিলনে। মনে পরল আগামীকাল একটা ক্লাস টস্টে আছ,ে কোন কছিু ভাবনা চন্তিা না করইে চলে গলেনে পড়ার টবেলি।ে বইতে চোঁখ গুচতইে চারদিকি অন্ধকার, সময় হল লোড শডেংি এর, কমেন লাগে বলনেতো?
এটা আমাদরে সকলরে কাছইে একটা অতি পরচিতি ঘটনা হয়ে দারয়িছে।ে যাদরে সাধ্য আছে অনকেইে ওচঝ ব্যবহার করে এ সমস্যার উপযুক্ত সমাধান ইতোমধ্যইে করে ফলেছেনে। আর যাদরে সাধ্য নইে তারাও মোমবাত,ি ইমারজন্সেি লাইট, খঊউ র্টচ এমনকি করেোসনিরে হারকিনে জ্বালয়িে এই অন্ধকারকে জয় করার জন্য নত্যি সংগ্রাম করে চলছেনে।কন্তিু আমরা সামন্য একটু চষ্টো করলইে এই সমস্যার উপযুক্ত সমাধান করে ফলেতে পারি এবং খুব সহজইে।
আমরা সবাই কম্পউিটাররে সাথে টচঝ ব্যবহার করে থাক।ি এর মাধ্যমে বদ্যিুৎ সমস্যার একটি র্সবোত্তম সমাধান আমরা করতে পারি কনিা দখো যাক। প্রকৃত পক্ষে আমরা টচঝ টরি র্কাযাবলীর কোন পরর্বিতন না ঘটয়িইে এটকিে মনিি ওচঝ হসিবেে ব্যবহার করব। হয়তবা ভাবছনে অনকে ইন্সট্রমন্টে কনিতে হবে তার পর রয়ছেে সোল্ডারংি এর ঝামলো। আসলে এর কোনটাই করা লাগবে না।
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
১. ১২ ঠড়ষঃ, ১৫ড, উঈ ঃড় অঈ পড়হাবৎঃবৎ বা ১২ ঠড়ষঃ ঝড়ষধৎ পরৎপঁরঃ (দাম ১০০-১২০ টাকা) ।
২. ৭/ি৯/ি১১ি এর্নাজি সভেংি লাইট (দাম ১৬০-১৭৫ টাকা)।
৩. সংযোগ তার, এবং কসটপে।
৪. বাল্ব হোল্ডার এবং টু পনি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ:
১২ ঠড়ষঃ, ১৫ড, উঈ ঃড় অঈ পড়হাবৎঃবৎ বা ১২ ঠড়ষঃ ঝড়ষধৎ পরৎপঁরঃ র্মাকটেে এখন খুবই পরচিতি, এবং যে কোন ইলকেট্রনক্সি উপকরণ সমূহরে পাইকারী দোকানে এ গুলো সুলভে পাওয়া যায়।এটি দখেতে অনকেটা টউিব লাইটরে ব্যালাস্ট এর মত। এতে একটা সুইচ দুই দকিে দুটি করে চারটি তার রয়ছেে যাদরে ১ম দুইটি উঈ ওহঢ়ঁঃ এবং অপর দুইটি অঈ ঙঁঃঢ়ঁঃ। অনকে সময় ঙঁঃঢ়ঁঃ এ তার না থকেে টু পনি সকটে ও থাকতে পার।ে এবং এটাই অধকি সুবধিাজনক। কনোর সময় দোকানীর কাছে থকেে জনেে নয়ো উচৎি যে কোন তারটকিে পজটিভি আর কোনটকিে নগেটেভি এর সাথে যুক্ত করতে হব।ে

বাল্ব হসিবেে ৭ি অথবা ৯ি অথবা ১১ি এর একটা এর্নাজি সভেংি লাইট ব্যবহার করা যতেে পার।ে আমি নজিে ৯ি ব্যবহার কর।ি এক্ষত্রেে প্যচানো এর্নাজি সভেংি লাইটগুলা বশেি ভাল কাজ কর।ে কছিু কছিু এর্নাজি সভেংি লাইটে ট আকৃতরি ৩ টি টউিব থাকে এগুলো ব্যবহার না করাই ভাল।

যা কছিু করতে হব:ে

১ম ধাপ

আমরা কম বশেি সকলইে জানি যে টচঝ একটা ১২ঠ ব্যটারী থকেে বদ্যিুৎ সরবরাহ করে থাক।ে আমাদরেকে প্রথমে টচঝ কে পাওয়ার সাপ্লাই থকেে বচ্ছিন্নি কর,ে সুইচ অফ করে সাবধানে টচঝ টকিে খুলে এর ব্যাটারীর দুটি কন্টাক পয়ন্টে থকেে দুটি তার বরে করতে হব।ে এ জন্য কোন সোল্ডারংি এর প্রয়োজন নইে। তার দুটরি কোনটি ব্যটাররি পজটিভি র্টামনিালরে সাথে আর কোনটি নগেটেভি সাথে লাগানো হয়ছেে তা ভাল ভাবে চহ্নিতি করে রাখতে হব।ে এ জন্য পজটিভি র্টামনিালরে জন্য লাল এবং নগেটেভি র্টামনিালরে জন্য কালো তার ব্যবহার করা ভাল। এখন টচঝ এর কাভার এবং প্রয়োজনীয় নাট লাগয়িে ফলেতে হব।েআমাদরে মূল কাজ সম্পন্ন হয়ে গছেে । এখন আমাদরেকে উঈ ঃড় অঈ পড়হাবৎঃবৎ বা ১২ ঠড়ষঃ ঝড়ষধৎ পরৎপঁরঃ সংযোগ করতে হবে ।

২য় ধাপ

প্রথমে আমরা ব্যালাস্ট সদৃশ উঈ ঃড় অঈ পড়হাবৎঃবৎ বা ১২ ঠড়ষঃ ঝড়ষধৎ পরৎপঁরঃ টি নয়িে তার আউটপুটে তার হোল্ডার এবং টুপনি এর মাধ্যমে ৭ি অথবা ৯ি অথবা ১১ি এর একটা এর্নাজি সভেংি লাইট যুক্ত করতে হব।ে

৩য় ধাপ

এখন আমাদরেকে টচঝ থকেে বরে করা লাল রঙরে পজটিভি তাররে সাথে পড়হাবৎঃবৎ এর পজটিভি তার এবং কালো রঙরে নগেটেভি তাররে সাথে পড়হাবৎঃবৎ এর নগেটেভি তার সংযুক্ত করতে হব।ে সংযোগ স্থান ভালোভাবে টপে দ্বারা ঢকেে দতিে হব।ে এখন ব্যালাস্ট সদৃশ উঈ ঃড় অঈ পড়হাবৎঃবৎ এর সুইচটি ঙঘ করলইে এর্নাজি সভেংি লাইট জ্বলে উঠব।ে আপনার ৬০০ঠঅ এর টচঝ টি দয়িে প্রায় পাঁচ থকেে আট ঘন্টা র্পযন্ত এর্নাজি সভেংি লাইটকিে জ্বালানো যাব।ে

র্পযায়ক্রমকিভাবে ১ম, ২য়, এবং ৩য় ধাপ শষে করতে হব।ে অবশ্যই ২য় ধাপ টি ৩য় ধাপরে আগে করতে হব,ে না হলে বদ্যৈুতকি শখ পাওয়ার সম্ভাবনা তাক।ে

ব্যবহার

স্বাভাবকি ভাবইে কম্পউিটাররে সাথে টচঝ টি ব্যবহার করতে হবে ফলে ব্যাটারীটি র্চাজ হব,ে বদ্যিুৎ চলে গলেে র্পূবরে মতই টচঝ টি কম্পউিটারে ব্যাক আপ দবি।ে এর্নাজি সভেংি লাইটকিে জ্বালানোর জন্য পড়হাবৎঃবৎ এর সুইচটি ঙঘ করলইে হব।ে লাইটকিে জ্বালানোর সময় টচঝ এর সুইচ ঙঘ রাখার প্রয়োজন নইে। কারণ টচঝ র্সাকটিরে সাথে পড়হাবৎঃবৎ র্সাকটিরে এর কোন সর্ম্পক নইে। র্অথাৎ আমরা বলতে পারি পড়হাবৎঃবৎ টি একটা আলাদা মনিি ওচঝ এর মত কাজ করছে এবং শুধুমাত্র টচঝ থকেে ব্যটারটিি শয়োর করছ।ে

আমাদরে অনকেরেই ইতোর্পূবে সরাসরি টচঝ থকেে এর্নাজি সভেংি লাইট জ্বালানোর অভজ্ঞিতা আছে । কন্তিু আমরা এই পদ্ধতি কনে ব্যবহার করব?

সরাসরি টচঝ থকেে এর্নাজি সভেংি লাইট জ্বালালে র্দীঘ সময় টচঝ র্সাকটিটি সচল রাখতে হয় ফলে টচঝ র্সাকটিটরি আয়ুষ্কাল কমে যায়। কন্তিু এক্ষত্রেে পড়হাবৎঃবৎ ব্যবহার করলে টচঝ র্সাকটিটি বন্ধ রাখা যায়।

সরাসরি পদ্ধততিে টচঝ টি থকেে বরিক্তকির পকি পকি টোন বরে হয় যা আমাদরে অপছন্দরে।
সরাসরি টচঝ থকেে এর্নাজি সভেংি লাইট জ্বালালে স্বয়ংক্রয়িভাবে টচঝ এর রলিে কতৃক কছিুক্ষণ পর বন্ধ করে দয়ে ফলে।ে ফলে লাইট অনকে কম সময় জ্বল।ে আমি পরক্ষিা করে দখেছেি সরাসরি পদ্ধততিে ১.৫ ঘন্টা জ্বললে পড়হাবৎঃবৎ এর মাধ্যমে প্রায় ৫ ঘন্টা জ্বল।ে
টচঝ এর ব্যাটারটিি যদি বশে পুরোনো হয় এবং কম্পউিটাররে ব্যকআপ টাইম যদি ৫ মনিটিরে মত বা তার কম হয় তবে তাহলে সরাসরি পদ্ধতি ব্যবহার করা যায় না। অথচ কম্পউিটাররে ব্যকআপ টাইম যদি ৫ মনিটিরে মত হয় তাহলওে সইে টচঝ দয়িে কমপক্ষে ২ ঘন্টা এর্নাজি সভেংি লাইট জ্বালানো যায়।এই পদ্ধতি টচঝ এর উপর কোন প্রভাবই ফলেে না।
কউে ইচ্ছা করলে টচঝ এর বাতলি করা ব্যটারীকে আলাদা পাওয়ার সাপ্লাই দয়িে র্চাজ দয়িওে পড়হাবৎঃবৎ এর সাথে ব্যবহার করতে পারনে। আমি সফল হয়ছে।ি

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ